সর্বশেষ সংবাদ
Home / খেলাধুলা / গেল ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের প্রতি দারুণ অবিচার করে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস। বাংলাদেশের হয়ে ৪ কিংবা ৫ নম্বরে ব্যাট করে অভ্যস্ত তিনি, সেখানে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ৯ নম্বরে তাকে ব্যাট করতে পাঠায় দলটি। দলও হেরেছিল ৪৬ রানের বড় ব্যবধানে। একদিনের ব্যবধানে সেই অবহেলার জবাব দিলেন মাহমুদউল্লাহ। বীরোচিত ইনিংস খেলে জেতালেন দলকে। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে তার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে জ্যামাইকা তালাওয়াহসকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস। এ জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চারে উঠে এল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। জয়ের জন্য ২৩ বলে দরকার ছিল ৪৭। ইতিমধ্যে সাজঘরে ফিরে গেছেন ক্রিস গেইল ও এভিন লুইস। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নামেন মাহমুদউল্লাহ। নেমেই রূদ্রমূর্তি ধারণ করেন। তার হাতের ব্যাটকে বানান তলোয়ার। তাতে কচুকাটা করেন প্রতিপক্ষ বোলাদের। একের পর এক বাউন্ডারিতে তাণ্ডব চালান তিনি। এতে কঠিন সমীকরণও মিলিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে জিতে যায় সেন্ট কিটস। ১১ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ। ২টি করে চার-ছক্কায় এ হার না মানা ইনিংস খেলেন মিস্টার কুল। শেষদিকে মাহমুদউল্লাহকে যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন জোগান ভ্যান ডার ডুসেন। সহযাত্রীর সাহসী ব্যাটিং দেখে তিনিও অনুপ্রাণিত হন। জ্যামাইকা বোলারদের ওপর তোপ দাগান ডানহাতি ব্যাটারও। ২৪ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪৫ করে অপরাজিত থাকেন ডুসেন। জয়ের জন্য ২০৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নামার আগে আকাশ ভেঙে নামে তুমুল বৃষ্টি। এতে বিলম্বে খেলা শুরু হয়। ফলে বৃষ্টি আইনে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিসের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১১ ওভারে ১১৮। তবে শুরুটা শুভ হয়নি দলটির। সাজঘরে ফেরেন এভিন লুইস। ৫৩ রানের জুটি গড়ে সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠেন গেইল ও ডুসেন। ২৪ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ করে গেইল ফিরলেও থেকে যান ডুসেন। তবে তাকে পরে সমর্থন জোগাতে পারেননি বেন কাটিং। বিনা রান করে ফেরেন তিনি। এরপরই জয়ের নায়ক হিসেবে আবির্ভূত হন মাহমুদউল্লাহ। শেষ পর্যন্ত ৫ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে নোঙর করে সেন্ট কিটস। এর আগে ওয়ার্নার পার্কে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ঝড় তোলে জ্যামাইকা। সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস বোলারদের ওপর স্টিম রোলার চালান রোভম্যান পাওয়েল। মাত্র ৪০ বলে ৮৪ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেন তিনি। তাতে ছিল ১১টি চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কার মার। এছাড়া গ্লেন ফিলিপস করেন ২৯ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৪০ রান। ২০ বলে ৩২ করেন অ্যান্ড্রু মিলার। ৫ বলে ১৪ রান আসে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের ব্যাট থেকে। এতে ২০৬/৬ রানের পাহাড় গড়ে জ্যামাইকা।

গেল ম্যাচে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের প্রতি দারুণ অবিচার করে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস। বাংলাদেশের হয়ে ৪ কিংবা ৫ নম্বরে ব্যাট করে অভ্যস্ত তিনি, সেখানে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ৯ নম্বরে তাকে ব্যাট করতে পাঠায় দলটি। দলও হেরেছিল ৪৬ রানের বড় ব্যবধানে। একদিনের ব্যবধানে সেই অবহেলার জবাব দিলেন মাহমুদউল্লাহ। বীরোচিত ইনিংস খেলে জেতালেন দলকে। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে তার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে জ্যামাইকা তালাওয়াহসকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস। এ জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চারে উঠে এল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। জয়ের জন্য ২৩ বলে দরকার ছিল ৪৭। ইতিমধ্যে সাজঘরে ফিরে গেছেন ক্রিস গেইল ও এভিন লুইস। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাট করতে নামেন মাহমুদউল্লাহ। নেমেই রূদ্রমূর্তি ধারণ করেন। তার হাতের ব্যাটকে বানান তলোয়ার। তাতে কচুকাটা করেন প্রতিপক্ষ বোলাদের। একের পর এক বাউন্ডারিতে তাণ্ডব চালান তিনি। এতে কঠিন সমীকরণও মিলিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে জিতে যায় সেন্ট কিটস। ১১ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ। ২টি করে চার-ছক্কায় এ হার না মানা ইনিংস খেলেন মিস্টার কুল। শেষদিকে মাহমুদউল্লাহকে যোগ্য সহযোদ্ধার সমর্থন জোগান ভ্যান ডার ডুসেন। সহযাত্রীর সাহসী ব্যাটিং দেখে তিনিও অনুপ্রাণিত হন। জ্যামাইকা বোলারদের ওপর তোপ দাগান ডানহাতি ব্যাটারও। ২৪ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪৫ করে অপরাজিত থাকেন ডুসেন। জয়ের জন্য ২০৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নামার আগে আকাশ ভেঙে নামে তুমুল বৃষ্টি। এতে বিলম্বে খেলা শুরু হয়। ফলে বৃষ্টি আইনে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিসের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১১ ওভারে ১১৮। তবে শুরুটা শুভ হয়নি দলটির। সাজঘরে ফেরেন এভিন লুইস। ৫৩ রানের জুটি গড়ে সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠেন গেইল ও ডুসেন। ২৪ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ করে গেইল ফিরলেও থেকে যান ডুসেন। তবে তাকে পরে সমর্থন জোগাতে পারেননি বেন কাটিং। বিনা রান করে ফেরেন তিনি। এরপরই জয়ের নায়ক হিসেবে আবির্ভূত হন মাহমুদউল্লাহ। শেষ পর্যন্ত ৫ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে নোঙর করে সেন্ট কিটস। এর আগে ওয়ার্নার পার্কে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ঝড় তোলে জ্যামাইকা। সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস বোলারদের ওপর স্টিম রোলার চালান রোভম্যান পাওয়েল। মাত্র ৪০ বলে ৮৪ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেন তিনি। তাতে ছিল ১১টি চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কার মার। এছাড়া গ্লেন ফিলিপস করেন ২৯ বলে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ৪০ রান। ২০ বলে ৩২ করেন অ্যান্ড্রু মিলার। ৫ বলে ১৪ রান আসে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের ব্যাট থেকে। এতে ২০৬/৬ রানের পাহাড় গড়ে জ্যামাইকা।

নয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে করার কিছুই থাকে না। কিইবা করবেন মাহমুদউল্লাহ। বল হাতেও কিছুই করতে পারেননি তিনি। ঝড় তুলতে পারেননি ক্রিস গেইল। সুতরাং আরেকটি হার সেন্ট কিটসের সহযাত্রী হল। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) শনিবার ত্রিনবাগো নাইটরাইডার্সের কাছে ৪৬ রানে হেরেছে সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস। আট ম্যাচে চতুর্থ হারে সেন্ট কিটস নেমে গেছে পয়েন্ট টেবিলের চারে।

১৯তম ওভারের মাঝামাঝি ব্যাটিংয়ে নামা মাহমুদউল্লাহ তিন বল খেলে অপরাজিত থাকেন দুই রানে। ম্যাচের প্রথম ভাগে দুই ওভার বোলিং করে ১৯ রান দিয়ে থাকেন উইকেটশূন্য। সেন্ট কিটসে ত্রিনবাগো ২০ ওভারে তোলে চার উইকেটে ১৯৯ রান। পাওয়ার প্লে’তে দুই ওপেনারকে হারালেও দলকে টানেন কলিন মানরো ও ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। তিনে নেমে মানরো অপরাজিত ৫০ বলে ৭৬ করেন। ম্যাককালাম ৩৫ করেন ৩৩ বলে।

শেষদিকে ঝড় তোলেন ব্রাভো ভাইরা। দুই ছক্কায় আট বলে ১৮ করেন ড্যারেন ব্রাভো। ডুয়ানে ব্রাভো ছিলেন আরও খুনে মেজাজে। ৩৭ করেন ১১ বলে। ১৯তম ওভারে ফাস্ট বোলার আলজারি জোসেফকে ছক্কা মেরেছেন টানা পাঁচ বলে! এই দু’জনের ঝড়ে শেষ পাঁচ ওভারে ত্রিনবাগো তোলে ৮৭ রান। শেষ দুই ওভারে ৪৮।

সেন্ট কিটস রান তাড়ায় বড় ধাক্কা খায় শুরুতে গেইলকে হারিয়ে। ১২ বলে নয় রান করেন বাঁ-হাতি ওপেনার। আরেক ওপেনার এভিন লুইস পাঁচ ছক্কায় করেন ৩৭ বলে ৫২। সুবিধা করতে পারেননি আর কেউ। ২২ বলে ২৩ রান করেন অ্যান্টন ডেভচিচ, ১৮ বলে ২১ কার্লোস ব্রাফেট। মাহমুদউল্লাহকে বিস্ময়করভাবে নামানো হয় লোয়ার অর্ডারে। জয়ের সম্ভাবনাই জাগাতে পারেনি সেন্ট কিটস। ২০ ওভারে থমকে যায় তারা ১৫৩ রানে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

লিওঁয়ের জালে পিএসজির গোলোৎসব, এমবাপ্পের ১ হালি

আবারও স্বমহিমায় উজ্জ্বল কিলিয়ান এমবাপ্পে। পায়ে ফোটালেন ফুটবলের শৈল্পিক ফুল। দুর্দান্ত ফুটবল ...

Skip to toolbar