সর্বশেষ সংবাদ
Home / লাইফস্টাইল / খুশকি তাড়াতে ঘরোয়া উপায়

খুশকি তাড়াতে ঘরোয়া উপায়

খুশকি তাড়াতে কত কিছুই না করে থাকেন আপনি। খুশকি তাড়াতে বাজারে নানা ধরনের শ্যাম্পু পাওয়া যায়। কিন্তু এসব শ্যাম্পু খুশকি তাড়াতে সাহায্য করলেও শ্যাম্পুতে বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় বলে দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে আপনার চুলের অনেক ক্ষতি হয়।

তাই কিছু ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করে নিজেই বানিয়ে নিন প্রাকৃতিক হেয়ার মাস্ক।ঘরোয়া উপায়ে দুর করুন চুলের খুশকি।

আসুন জেনে নেই ঘরোয়া উপায়ে কীবাবে তাড়াবেন চুলের খুশকি।

দই, মধু ও লেবুর মাস্ক

যা লাগবে

আধাকাপ টক দই, এক টেবিল চামচ লেবুর রস আর এক টেবিলচামচ মধু।

যেভাবে বানাবেন

সবকয়টা উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে একটা মসৃণ পেস্ট তৈরি করে নিন। চুলের গোড়াসহ পুরো চুলে ভালো করে মেখে আধ ঘণ্টা রাখুন। সালফেট বিহীন কোমল শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার থেকে দুইবার করলেই ফল পাবেন।

কেন উপকারী

লেবুর রসের অ্যাসিড মাথার ত্বকের পিএইচ ব্যালেন্স আর তেল নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে রাখে, মধু আর দই আর্দ্রতা জোগায়।

নারিকেল তেল

যা লাগবে

শুধু তিন টেবিল চামচ নারিকেল তেল

যেভাবে বানাবেন

নারিকেল তেলটা একটু গরম করে নিন। মাথায় আঙুল দিয়ে ধীরে ধীরে মাসাজ করুন। অন্তত ১০-১৫ মিনিট মাসাজ করবেন। পুরো মাথা তেল দিয়ে মাসাজ করা হয়ে গেলে বাকি তেল চুলে লাগিয়ে নিন। আধঘণ্টা তেল চুলে বসতে দিন। তারপর কোমল সালফেট বিহীন শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

কেন উপকারী

নারিকেল তেলের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণ রয়েছে। নারিকেল মাথার ত্বকের গভীরে ঢুকে তা খুশকি কমিয়ে থাকে।

জবাফুল আর মেথি

যা লাগবে

১০-১২টা জবাপাতা, এক টেবিলচামচ মেথি আর আধকাপ টক দই।

যেভাবে বানাবেন

মেথি সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ভেজানো মেথি আর জবাপাতা একসঙ্গে বেটে নিন। এই মিশ্রণে মেশান টক দই। এবার পুরো মাথা আর চুলে ভালো করে মেখে আধঘণ্টা রাখুন। কোমল সালফেট বিহীন শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুই তিনবার করতে হবে।

কেন উপকারী

জবাপাতা খুশকির অব্যর্থ ওষুধ, একইসঙ্গে চুলের শুষ্কতা কমাতেও কার্যকর। মেথির গুণের সঙ্গে জবাপাতার গুণ মিশলে খুশকি তো যাবেই, চুলও হয়ে উঠবে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

শীতে মৌসুমি ফল

শিশির ভেজা ভোরে গুটি গুটি পায়ে চাদর মুড়ে শীত চলে এসেছে বছর ...

Skip to toolbar