সর্বশেষ সংবাদ
Home / আন্তর্জাতিক / পম্পেওর সফরে পাক-মার্কিন সম্পর্কের বরফ গলবে?
This handout picture released by Pakistan's Press Information Department (PID) on September 5, 2018, shows Pakistani Foreign Minister Shah Mahmood Qureshi (2nd L) meeting with US Secretary of State Mike Pompeo (2nd R) alongside their delegations at the Foreign Ministry in Islamabad. - US Secretary of State Mike Pompeo landed in Islamabad on September 5 to meet new Prime Minister Imran Khan, saying he was hoping to "reset the relationship" with Pakistan that has worsened in recent months. (Photo by Handout / PID / AFP) / RESTRICTED TO EDITORIAL USE - MANDATORY CREDIT "AFP PHOTO / Press Information Department (PID)" - NO MARKETING NO ADVERTISING CAMPAIGNS - DISTRIBUTED AS A SERVICE TO CLIENTS -

পম্পেওর সফরে পাক-মার্কিন সম্পর্কের বরফ গলবে?

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে নতুন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।

গত কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। ফলে এ বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টাই চলছে বলে অনেকে মনে করছেন।

কিন্তু এখনও দুই দেশের মধ্যে মতাদর্শের কিছু পার্থক্য রয়ে গেছে, বিশেষ করে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে। তা ছাড়া কিছু দিন আগেই পাকিস্তানের জন্য বিলিয়ন ডলার সাহায্য বাতিল করেছে ওয়াশিংটন।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, আফগানিস্তানের তালেবানকে প্রশ্রয় দিচ্ছে পাকিস্তান, যা দেশটি বরাবর প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ছাড়াও দেশটির সেনাপ্রধানের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন মাইক পম্পেও।

পাকিস্তানের ডেইলি নিউজ পত্রিকার সাংবাদিক মনির আহমেদ বলছেন, দুই দেশের কর্মকর্তারাই বিশ্বাস করছেন, যে সম্পর্ক প্রায় ভেঙে গেছে, সেটি নতুনভাবে শুরু করার জন্য উভয় দেশই রাজি আছে।

তিনি বলেন, আসলে আগে পাকিস্তানের কর্ণধারদের সঙ্গে আমেরিকার কর্মকর্তাদের কথা হতো, তখন আমেরিকান কর্ণধাররা মনে করতেন, তারা যেটি চাইবেন, সেটিই পাকিস্তান মেনে নেবে। তবে এখন পরিষ্কার হয়েছে, পাকিস্তানের সরকারের সঙ্গে জনগণের একটি সম্পর্ক রয়েছে এবং পাকিস্তানের ওপর জোর করে কিছু করা যাবে না।

মনির আহমেদ বলেন, সম্প্রতি যে তিনশ মিলিয়ন ডলার কোয়ালিশন সহায়তা তহবিল বন্ধ করে দেয়ার কথা বলেছে যুক্তরাষ্ট্র, সেটিও এই বৈঠকে প্রাধান্য পেয়েছে। তবে এখানে এসে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা একেবারে বলছেন না যে ওই তহবিল একেবারে বন্ধ হয়েছে। তারা বলছেন, এটি আবার যে কোনো সময় খুলে দেয়া হতে পারে। তারা চাইছে, আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের যে স্বার্থ, সেটি পাকিস্তান বুঝবে। বিশেষ করে উগ্রপন্থীদের বিরুদ্ধে যেসব ব্যবস্থা নেয়া দরকার, সেগুলো তারা দেবে।

ইমরান খান ও মাইক পম্পেওর বৈঠকে অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় ছিল উগ্রপন্থীদের বিরুদ্ধে অভিযান এবং আফগানিস্তান। যুক্তরাষ্ট্র চাইছে, আফগানিস্তানে শান্তি ফেরাতে তালেবানের ওপর প্রভাব কাজে লাগাবে পাকিস্তান।

সাংবাদিক মনির আহমেদ বলছেন, ‘পাকিস্তান একটা বিষয় পরিষ্কার করে দিয়েছে- আমেরিকা যা চাইছে, তাতে তাদের আপত্তি নেই। তবে ইমরান খান জোর দিয়ে বলেছেন, পাকিস্তান একটি সার্বভৌম দেশ, সুতরাং পাকিস্তানের যেসব স্বার্থ রয়েছে, সেটাও যেন অক্ষুণ্ণ থাকে, সেটি যুক্তরাষ্ট্রকে মেনে নিতে হবে।

তার মতে, আমেরিকা চাইছে, তালেবানের সঙ্গে পাকিস্তানের যে সম্পর্ক রয়েছে, সেটিকে কাজে লাগিয়ে আফগানিস্তানে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

অবশেষে মি টু ঝড়ে মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন এমজে আকবর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রটে যাওয়া খবর অবশেষে সত্য হল। ৩ দিন আগের ...

Skip to toolbar