সর্বশেষ সংবাদ
Home / শিক্ষা ও সাহিত্য / বিশ্বে প্রথমবারের মতো জন্ম নিল টেস্ট টিউব সিংহশাবক। দক্ষিণ আফ্রিকার একটি অভয়ারণ্যে কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিতে জন্মানো এ সিংহশাবক দুটির একটি ছেলে ও অপরটি মেয়ে। বলা হচ্ছে, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, তুষার চিতাসহ বিভিন্ন বিপন্ন বিড়াল প্রজাতিকে বিলুপ্তির কবল থেকে রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে এ পদ্ধতি। দক্ষিণ আফ্রিকার ইউনিভার্সিটি অব প্রিটোরিয়ার একদল গবেষক বিড়াল প্রজাতির এ কৃত্রিম প্রজননবিষয়ক গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তারা একটি পুরুষ সিংহের স্পার্ম নিয়ে একটি নারী সিংহের ভেতর স্থাপন করেন। প্রায় সাড়ে তিন মাস পর নারী সিংহটি দুটি স্বাস্থ্যবান শাবক জন্ম দেয়। প্রিটোরিয়া ইউনিভার্সিটির স্তন্যপায়ী প্রাণী গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রফেসর আন্দ্রে গান্সউইন্দ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মানুষের নানা কর্মকাণ্ডের কারণে জৈববৈচিত্র্য আজ হুমকির মুখে। বিগ ক্যাট বা বড় বিড়াল প্রজাতিগুলোও এতে আক্রান্ত হচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকে বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে। এদের বিলুপ্ত হওয়া ঠেকাতেই আমাদের এ গবষণা। জানা যায়, বিড়াল প্রজাতির প্রাণীদের বিলুপ্ত হওয়ার কবল থেকে রক্ষাবিষয়ক এক গবেষণামূলক প্রজেক্টের প্রাথমিক চেষ্টার ফসল এই সিংহশাবক দুটি। কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিটি আফ্রিকান সিংহের ওপর প্রয়োগ করা হলেও বিড়াল প্রজাতির বাকি সদস্যদের ক্ষেত্রেও তা কার্যকর হবে এমনটাই আশা গবেষকদের। প্রজেক্টের প্রধান গবেষক ইসাবেল বলেন, এ পদ্ধতিতে প্রজনন সিংহের জন্য এটাই প্রথম। এখন আমরা এই অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে বিপন্ন বিড়াল প্রজাতির সদস্যদের রক্ষার কাজ চালাব। ভবিষ্যতে তুষার চিতা ও বাঘের ওপর এ পদ্ধতি প্রয়োগ করতে চলেছি আমরা।

বিশ্বে প্রথমবারের মতো জন্ম নিল টেস্ট টিউব সিংহশাবক। দক্ষিণ আফ্রিকার একটি অভয়ারণ্যে কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিতে জন্মানো এ সিংহশাবক দুটির একটি ছেলে ও অপরটি মেয়ে। বলা হচ্ছে, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, তুষার চিতাসহ বিভিন্ন বিপন্ন বিড়াল প্রজাতিকে বিলুপ্তির কবল থেকে রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে এ পদ্ধতি। দক্ষিণ আফ্রিকার ইউনিভার্সিটি অব প্রিটোরিয়ার একদল গবেষক বিড়াল প্রজাতির এ কৃত্রিম প্রজননবিষয়ক গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তারা একটি পুরুষ সিংহের স্পার্ম নিয়ে একটি নারী সিংহের ভেতর স্থাপন করেন। প্রায় সাড়ে তিন মাস পর নারী সিংহটি দুটি স্বাস্থ্যবান শাবক জন্ম দেয়। প্রিটোরিয়া ইউনিভার্সিটির স্তন্যপায়ী প্রাণী গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রফেসর আন্দ্রে গান্সউইন্দ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মানুষের নানা কর্মকাণ্ডের কারণে জৈববৈচিত্র্য আজ হুমকির মুখে। বিগ ক্যাট বা বড় বিড়াল প্রজাতিগুলোও এতে আক্রান্ত হচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকে বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে। এদের বিলুপ্ত হওয়া ঠেকাতেই আমাদের এ গবষণা। জানা যায়, বিড়াল প্রজাতির প্রাণীদের বিলুপ্ত হওয়ার কবল থেকে রক্ষাবিষয়ক এক গবেষণামূলক প্রজেক্টের প্রাথমিক চেষ্টার ফসল এই সিংহশাবক দুটি। কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিটি আফ্রিকান সিংহের ওপর প্রয়োগ করা হলেও বিড়াল প্রজাতির বাকি সদস্যদের ক্ষেত্রেও তা কার্যকর হবে এমনটাই আশা গবেষকদের। প্রজেক্টের প্রধান গবেষক ইসাবেল বলেন, এ পদ্ধতিতে প্রজনন সিংহের জন্য এটাই প্রথম। এখন আমরা এই অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে বিপন্ন বিড়াল প্রজাতির সদস্যদের রক্ষার কাজ চালাব। ভবিষ্যতে তুষার চিতা ও বাঘের ওপর এ পদ্ধতি প্রয়োগ করতে চলেছি আমরা।

ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে সৎমেয়েকে জঙ্গলে নিয়ে গেল মা। ডাকা হয় ছেলের তিন বন্ধুকে। তার পর সেই সৎমা নিজে দাঁড়িয়ে থেকে তার ছেলের বন্ধুদের দিয়ে গণধর্ষণ করাল ৯ বছরের শিশু মেয়েকে।

গণধর্ষণ করিয়েই ক্ষান্ত হয়নি সেই সৎমা। গলা টিপে হত্যা করেছে শিশুটিকে। এর পর কুড়াল দিয়ে কোপায় মেয়েটির সৎভাই। ছেলের এক বন্ধু তুলে নিয়েছে চোখ, অন্যজন ঢেলে দিয়েছে অ্যাসিড।

রোববার এমনই ভয়ংকর পাশবিক ঘটনা ঘটেছে জম্মু-কাশ্মীরের বারামুলায়।

পুলিশের দাবি, পারিবারিক শত্রুতার জেরেই এমন নৃশংস ও ভয়াবহ কাণ্ড ঘটিয়েছেন ওই মহিলা। অভিযুক্ত সৎমা, সৎভাইসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে সব দোষ স্বীকারও করেছে তারা।

গত সপ্তাহে বারামুলার বনিয়ার এলাকার এক ব্যক্তি মেয়ে নিখোঁজের বিষয়ে একটি ডায়েরি করেন। রোববার ওই ব্যক্তির বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে জঙ্গলে ওই শিশুর বিকৃত দেহ উদ্ধার করা হয়। পরনের জামাকাপড় দেখে তাকে শনাক্ত করেন তার বাবা।

পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে ওই শিশুর সৎমা, সৎভাইসহ তার বন্ধুদের গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে নারকীয় ওই ঘটনার কথা।

গ্রেফতারকৃতরা জানায়, ছেলের সাহায্য নিয়ে সৎমা ওই শিশুকে বাড়ির পাশের জঙ্গলে তুলে নিয়ে যায়। ছেলের বন্ধুদেরও ডাকা হয়।

দুষ্কর্মে যোগ দেয় নাসির আহমেদ খান ওরফে গুড্ডু (২৮), কায়সার আহমেদ (১৯) এবং ছেলের বছর চৌদ্দের এক বন্ধু। এর পর সবাই মিলে মেয়েকে গণধর্ষণের নির্দেশ দেয় ওই নারী।

পুলিশের দাবি, নারীর নির্দেশমতো কিশোরীর সৎভাই ও তার বন্ধুরা মিলে গণধর্ষণ করে। তার পর ওই মহিলাই মেয়েকে গলা টিপে হত্যা করে। কুড়াল দিয়ে গোটা মুখে কুপিয়ে বিকৃত করে দেয় কিশোরীর সৎভাই।

কায়সার তার দুটি চোখই তুলে নেয়। গুড্ডু বাড়িতে গিয়ে নিয়ে আসে অ্যাসিডের বোতল। অ্যাসিড দিয়ে মুখসহ প্রায় সারা শরীর বিকৃত করে দেয়া হয়। জঙ্গলে কিশোরীর দেহ পুঁতে ওপরে গাছের ডালপালা চাপা দিয়ে বাড়িতে ফিরে আসে সবাই।

তদন্তে জানা গেছে, ওই মেয়ের বাবার দুই স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী এলাকারই বাসিন্দা। অন্যজন ঝাড়খণ্ডের। তবে দুজন একই বাড়িতে থাকেন। ঝাড়খণ্ডের মহিলাকে বিয়ের পর থেকেই প্রথম স্ত্রীর দিকে তেমন নজর ছিল না।

দ্বিতীয় স্ত্রীর মেয়ে হওয়া এবং তার বেড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে কার্যত প্রথম স্ত্রীকে উপেক্ষা করা শুরু করেন স্বামী। পুলিশের দাবি, বহু বছর ধরে জমে থাকা ক্ষোভের জেরেই সৎমেয়েকে এমন নৃশংস খুন ও ধর্ষণ করিয়েছেন মহিলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

১ সেপ্টেম্বর: আজকের ধাঁধা

ধাঁধাচর্চা আপনার মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটায়। এতে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে বুদ্ধি বাড়ায়। সে ...

Skip to toolbar