সর্বশেষ সংবাদ
Home / আন্তর্জাতিক / স্বাধীনতার শেষ আশাটুকুও হারিয়ে যাচ্ছে ফিলিস্তিনিদের
This picture taken on September 9, 2018 shows a view of the destroyed and deserted terminal of the Gaza Strip's former "Yasser Arafat International Airport", in the Palestinian enclave's southern city of Rafah. - When the Palestinian government inaugurated its first airport with US president Bill Clinton in attendance, it was a symbol of the hopes for independence and peace created by the Oslo accords. But 25 years after the first of those historic agreements was signed on September 13, 1993, the airport in Gaza lies in tatters, along with Palestinian hopes for an independent state. (Photo by SAID KHATIB / AFP)

স্বাধীনতার শেষ আশাটুকুও হারিয়ে যাচ্ছে ফিলিস্তিনিদের

ফিলিস্তিনের বহু তরুণের মতো আবেদ জুহায়েরও মনে করেন, অসলো চুক্তির কারণেই নিজেদের ভূমির ওপর থেকে তাদের অধিকার রুদ্ধ করা হয়েছে। তিনি বলেন, অসলো চুক্তি ছিল ভুল।

১৯৯৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে বসে ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন এ চুক্তি সই করেন।

এ দুই নেতা তখন হোয়াইট হাউসের লনে দাঁড়িয়ে প্রথমবারের মতো ঐতিহাসিক হাত মেলান। পরে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও দেয়া হয়েছিল।

সেই চুক্তির ২৫ বছর পার হতে যাচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার। জুহায়ের বলেন, নিজের সীমান্ত বরাবর ইসরাইল কখনই একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র মেনে নেবে না।

তিনি বলেন, ইহুদি রাষ্ট্রটি আমাদের সব ভূমি দখল করতে চায়। অধিকৃত পশ্চিমতীরের অধিকাংশ ভূমি তারা আত্মীভূত করে নেবে।

এতে দুই রাষ্ট্রের সমাধানের শেষ আশাটুকুও নেই হয়ে গেছে। সেখানে শান্তি প্রতিষ্ঠার সুযোগ সুদূর পরাহত ছাড়া আর কিছু নয়।

১৯৯৩ সালের পর পশ্চিমতীরের ভূমিতে ইসরাইলি বসতি নিয়মিত সম্প্রসারিত হতে দেখেছেন ফিলিস্তিনিরা। এর মধ্যে ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত দুপক্ষই দ্বিতীয় ফিলিস্তিনি জাগরণ বা ইন্তিফাদা দেখেছে।

গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের সঙ্গে তিনটি যুদ্ধ হয়েছে। গত এক দশক ধরে গাজা অবরোধ করে রেখেছে ইসরাইল। এতে সেখানে চরম মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের উপস্থিতিতে ফিলিস্তিনিদের প্রথম বিমানবন্দরের উদ্বোধনও তাদের মনে স্বাধীনতার স্বপ্ন জাগিয়েছিল।

কিন্তু ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতার স্বপ্নের মতো সিটিও আজ জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

২৮ বছর বয়সী জিহাদ মানাসরা বলেন, ইসরাইলিরা প্রতিনিয়ত অসলো চুক্তি লঙ্ঘন করে যাচ্ছেন। এ কারণেই চুক্তিটি ব্যর্থ হয়ে গেছে।

জুহায়ের বলেন, আমরা যদি থেমে যাই ও আলোচনা অব্যাহত রাখি, তবে দখলদারিত্বও চলতে থাকবে। অস্ত্র হাতে না নেয়া পর্যন্ত আমরা কিছুই পাব না।

মাজিদ নামে আরেক ফিলিস্তিনি যুবক বলেন, কোনো দিন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হবে, এমন আশা তিনি দেখছেন না। তিনি বলেন, আমার কাছে একটিই বিকল্প আছে, তা হল- শিক্ষিত হওয়া। আর প্রজন্মের পর প্রজন্মকে জানিয়ে দেয়া যে এখানে একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

অবশেষে মি টু ঝড়ে মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন এমজে আকবর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রটে যাওয়া খবর অবশেষে সত্য হল। ৩ দিন আগের ...

Skip to toolbar