সর্বশেষ সংবাদ
Home / লাইফস্টাইল / ওষুধ ছাড়াই নিশ্চিন্তে ঘুমান

ওষুধ ছাড়াই নিশ্চিন্তে ঘুমান

সারা দিনের শারীরিক ক্লান্তি, মানসিক চাপ ও পারিবারিক নানা ব্যস্ততা সামাল দেয়ার পর ঘুম মানুষের সেরা আশ্রয়। কিন্তু সেই ঘুমেও যদি ব্যাঘাত ঘটে? তবে তা কিন্তু বিপদের কথা বটে।

একবার ঘুম ভাঙলে ফের তা আসতেও সময় নেয়, কখনও আবার আসেই না। এতে পর্যাপ্ত ঘুম তো হয়ই না, উল্টে ঘুমের দফারফা হয়ে বেড়ে যায় ক্লান্তি।

তবে এমন সমস্যা এলেই যে তা সব সময় ওষুধ খেয়ে কমাতে হবে এমন কিন্তু নয়। নিয়মিত ঘুমের ওষুধ শরীরের জন্যও ক্ষতিকর।

তবে আপনার কিছু অভ্যাস বদলালেই এই সমস্যা থেকে দ্রুত পরিত্রাণ পেতে পারেন। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে সে সব স্বভাবে বদল আনুন।

আসুন জেনে ওষুধ ছাড়াই কীভাবে নিশ্চিন্তে ঘুমাবেন।

রাতে খাওয়ার সময়

রাতে ঘুমোনের অন্তত দু’ঘণ্টা আগেই সারুন রাতের খাওয়া। পাকস্থলী পূর্ণ থাকলে সঙ্গে সঙ্গে ঘুম আসে না। খেয়ে একটু হেঁটে আসুন ধারে কাছে। হজম প্রক্রিয়া যত তাড়াতাড়ি হবে, ঘুমও ততই দ্রুত আসবে।

টিভি শো

অনেকেই রাতে এমন কিছু টিভি শো দেখেন যা মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করে। ফলে থ্যালামাস উদ্দীপ্ত হয়ে ঘুমকে সরিয়ে দেয়। কাজেই সে সব অনুষ্ঠান থেকে দূরে থাকুন, বরং ঘুমোনের আগে মিউজিক প্লেয়ার বা বেতারে কোনও হালকা গান শুনুন।

মানসিক চাপ

ঘুমোনোর আগে এমন কোনও ঘটনা বা বিতর্কে জড়াবেন না, যা মনে চাপ ফেলতে পারে। সারা দিনের এমন কোনও ঘটনা যা মনকে বিক্ষিপ্ত করে বা টেনশনে রাখে তা থেকেও মন সরিয়ে রাখুন।

চা-কফি

রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে চা-কফি খাওয়ার অভ্যস থাকে। এই স্বভাব আজই বদলান। চা-কফি দুই-ই উত্তেজক পানীয়। এগুলি মস্তিষ্ককে উত্তেজিত করে। অনেকের ঘুমোনোর আগে মদ্যপানের স্বভাব আছে। তা শারীরিক ভাবে যতটা ক্ষতিকর, ঘুম আসার পথে ততটাই

শয়নকক্ষ

শয়নকক্ষ ঘুমনোর উপযুক্ত করুন। আলো নিভিয়ে, পরিষ্কার বিছানায় ঘুমের উপযুক্ত বালিশ রাখুন। প্রয়োজনীয় চাদর হাতের কাছে রেখে দিন। প্রয়োজন অনুযায়ী পাখা বা এসি চালিয়ে ঘুমোন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

জ্বর হলে কী ওষুধ খাবেন?

ঋতু পরিবর্তনের ফলে ঠাণ্ডা-জ্বরের প্রকোপ বাড়ছে। হুটহাট করে ভাইরাসজনিত জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে ...

Skip to toolbar