সর্বশেষ সংবাদ
Home / লাইফস্টাইল / ধর্মগ্রন্থ চুরি ও অবমাননার মামলায় বিপাকে অক্ষয়

ধর্মগ্রন্থ চুরি ও অবমাননার মামলায় বিপাকে অক্ষয়

ধর্মগ্রন্থ চুরি ও অবমাননার মামলায় বিপাকে পড়েছেন বলিউড মার্শাল আর্ট হিরো অক্ষয় কুমার।

গতকাল বুধবার তিন বছরের পুরনো এক মামলায় তাকে হাজিরা দিতে হয়েছিল ওই মামলার বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশনে।

চণ্ডিগড়ে গঠিত ওই হাজিরায় দুই ঘণ্টা ধরে জেরা করা হয় অক্ষয়কে।

নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের জুন মাসে ভারতের বুড়িযাওয়ার সিংওয়ালা গ্রামে ঘটে পবিত্র ধর্মগ্রন্থকে অপবিত্র করার ঘটনা।

একই বছর ১২ অক্টোবর বারগাড়ি গ্রামে ঘটে এ ধরনের আরেকটি ঘটনা।

সেই সময় এ দুই ঘটনার প্রতিবাদে পাঞ্জাবের ফরিদকোট, মোগা ও সাংগ্রুর জেলাসহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন শুরু হয়।

সেই সময় পাঞ্জাবে মুক্তি পায় ধর্ষক রাম রহিমের বিতর্কিত একটি ছবি। যে ছবিতে শিখ ধর্মগ্রন্থ ‘গ্রন্থ সাহেব’-কে অপমান করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

ধর্মীয় স্থান অপবিত্র করার অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয় শিখ সম্প্রদায়। তাদের আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে পাঞ্জাবজুড়ে।

ওই আন্দোলনে মোগার বেহবালকালান গ্রামে পুলিশের গুলিতে দুই আন্দোলনকারীর মৃত্যু হয়। আহত হন ৭৫ জন।

অক্ষয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওই সময় জুহুতে নিজের ফ্ল্যাটে ঘটনার নেপথ্য নায়ক তৎকালীন ডেরা সাচ্চা সৌদা প্রধান তথা ধর্ষক বাবা রাম রহিমের সঙ্গে পাঞ্জাবের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদলের সাক্ষাৎ করিয়ে দিয়েছিলেন অক্ষয়।

তবে শুরু থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন অক্ষয়।

তার পক্ষে শিখ ভাবাবেগে আঘাত করার প্রশ্নই ওঠে না বলে জানান অক্ষয়।

তিনি দাবি করেন, রাম রহিমের সঙ্গে তিনি কখনও দেখাই করেননি।

তিনি তদন্ত কমিশনের কাছে বলেন, ‘আমি একজন নিষ্ঠাবান শিখ। সারাজীবন একাধিক ছবিতে শিখ সংস্কৃতিকে তুলে ধরার চেষ্টা করে এসেছি। শিখদের সংস্কৃতিকে আমি সবসময় সম্মান করি।’

ওই তদন্তে আরও ডাক পড়েছিল পাঞ্জাবের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ সিং বাদল ও তার ছেলে সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী সুখবির সিং বাদলের।

১৬ ও ১৯ নভেম্বর তাদের হাজিরা শেষে ২১ নভেম্বরে অক্ষয় কুমারকে এ মামলায় হাজিরা দিতে হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

x

Check Also

শীতে মৌসুমি ফল

শিশির ভেজা ভোরে গুটি গুটি পায়ে চাদর মুড়ে শীত চলে এসেছে বছর ...

Skip to toolbar