মানিকগঞ্জে ধলেশ্বরীর ভাঙনে ২০৪টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার উপর দিয়ে ধলেশ্বরী নদী প্রবাহিত। পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে এই নদীর পানি বেড়ে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার বহু বসতভিটা, ফসলি জমি ও স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) সরেজিমন গিয়ে দেখা যায়, দিঘুলিয়া ইউনিয়ন, বরাইদ ইউনিয়ন এবং তিল্লী ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রামের ২০৪টি বসতভিটা ক্ষতিগ্রস্ত। এর মধ্যে কিছু বাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। শত শত হেক্টর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে, অনেকে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে।

বরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশিদ বলেন, ছনকা, ছনকা মোল্লাপাড়া, বরাইদ, পাতিলা পাড়া, গোপালপুর গ্রামের ৫৭টি বাড়ি ধলেশ্বরী ও গাজীখালী নদীতে ভেঙে গেছে।

তিল্লী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোরছালিন বাবু জানান, তিল্লী ও দক্ষিণ আয়নাপুর গ্রামে ৮৩টি বাড়ি ভাঙনের শিকার হয়েছে।

দিঘুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. বাবুল হোসেন বলেন, তার ইউনিয়নের জালসুকা ও নাসরপুর গ্র্রামের ৬৪টি পরিবার কয়েক দিনের ভাঙনে নদীগর্ভে চলে গেছে।

সাটুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ জানান, বরাইদ, দিঘুলিয়া ও তিল্লী ইউনিয়নে নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ১২০টি পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, আলু, তেল, চিড়া ও মুড়ি বিতরণ করা হয়েছে।

মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাঈন উদ্দিন বলেন, সাটুরিয়া উপজেলায় ভাঙন ঠেকাতে ১০ হাজার বস্তা জিও ব্যাগ ফেলানো হয়েছে।

সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল আলম বলেন, জিও ব্যাগ ফেলেও নদীর ভাঙন প্রতিরোধ করা যাচ্ছে না। দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

সম্পাদকঃ শারমিন আক্তার, প্রকাশকঃ মোঃ এনামুল হক, হুজাইফা এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড কর্তৃক চৌধুরী মল ৪৩, শহীদ নজরুল ইসলাম সড়ক (হাটখোলা রোড), টিকাটুলি, ঢাকা-১২০৩ হতে প্রকাশিত। ফোন-ফ্যাক্স: ৭১২৫৩৮৬। । ই-মেইল: tatkhonik@gmail.com